বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার অনুমোদন পেয়েছে তালিকাভুক্ত ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও ঢাকা ব্যাংক পিএলসি। এর মধ্যে ২৫ মে ওয়ান ব্যাংক ও ২৮ মে ঢাকা ব্যাংকের পর্ষদ সভা আহ্বান করা হয়েছে। সভায় বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্যা জানা গেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ওয়ান ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ ও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ওয়ান ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৯ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে ঢাকা ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৮ পয়সা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৯৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা এবং সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ২৬ পয়সায়।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে আসা ঢাকা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২৩৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০০ কোটি ৬৬ লাখ ২ হাজার ২৩৮টি। এর মধ্যে ৪৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।